“চাইলে….ভালোবাসতেই পারি”

এই পৃথিবীর আনাচে কানাচে যত ক্ষুধার্ত শিশু এবং তাদের শব ছড়িয়ে থাকে, এই অর্ধমৃত, অশ্লীল সময়ে যখন আমরা একে অপরের আশ্রয় হতে ভুলে যাই, এই অসময়ে – যখন এক একজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে রাষ্ট্র এতখানি তৎপর, তবে হাত ধরলে, ভালোবাসলে, হাতে হাতে ব্যারিকেড গড়ে তুললে আমরা পুনর্বার প্রাণ উত্থাপন করতেই পারি জেনে রাখবেন। এই মৃত মহাদেশে বারবার রোদ্দুর হয়ে উঠতে পারি। আমাদের সব অভাব, অনটন, না-পাওয়া, হারিয়ে যাওয়া এবং নিপীড়ণের উত্তর – যাকে ছাড়া বিপ্লবে বিক্ষোভে আমরা গর্জে উঠলেও আমাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছোবেনা যেখানে যেখানে পৌঁছনো দরকার, সেই ভালোবাসার দিনক্ষণ লাগেনা। আর বাজারীকরণ যাই করুক না কেন, আবেগের স্থিতিশীলতা তার নিয়ন্ত্রণে নেই। এখনো আমরা পারি, আমরাই পারি – বন্ধনের উষ্ণতায় সমস্ত হতাশার সীমান্ত পেরিয়ে যেতে।সীমান্ত আমরা বানাই, সীমান্ত আমাদের কোনোকিছুই নির্ধারণ করে না যদি না আমরা তেমনটা চাই। ওদের তৈরী করা যাবতীয় লোহার প্রাচীর এবং দেওয়াল এখনো, এখনো আমরা ভেঙে ফেলতেই পারি…এখনো জড়বস্তুর স্তূপ ভেঙে দিয়ে সবুজ উদ্ভিদ প্রকান্ড বটগাছ হয়ে উঠতেই পারে, এখনো মিসাইল, হাইড্রোজেন বোমা, পারমাণবিক চুল্লিগুলো আমরাই বন্ধ করে দিতে পারি। চাইলে পারি, এখনই পারি। ওরা শুধু চায় আমরা বিস্মৃত হই,আমরা যেন কিছুতেই না জানতে পারি, মনে করতে পারি আমরা কি কি পারি। তবে আমরা তো জানি, আমরা ভালোবাসতে পারি। চাইলে….ভালোবাসতেই পারি।

“Fate”

Sometimes fate is like a small sandstorm that keeps changing directions. You change direction but the sandstorm chases you. You turn again, but the storm adjusts. Over and over you play this out, like some ominous dance with death just before dawn. Why? Because this storm isn’t something that blew in from far away, something that has nothing to do with you. This storm is you. Something inside of you. So all you can do is give in to it, step right inside the storm, closing your eyes and plugging up your ears so the sand doesn’t get in, and walk through it, step by step. There’s no sun there, no moon, no direction, no sense of time. Just fine white sand swirling up into the sky like pulverized bones. That’s the kind of sandstorm you need to imagine.

“একটা আস্ত ‘নেই’…”

এই প্রজন্ম অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে ধরে রাখার,ধরে থাকার যাবতীয় প্রতিশ্রুতি। বিস্তর অহংকারের ভাঁজে নিজের মজ্জাগত পাপ এবং পাপবোধ ভুলে গেলেও,এখন কখনো কখনো মনে পড়ে যায় – একটা আস্ত ‘নেই’ নিয়ে বাঁচতে হবে। কি যেন নেই,কখনো ছিলনা,আজীবন একটা ‘নেই’ তাড়া করে ফেরে পাহাড়ি রাস্তার বাঁকের মতো। হাত বাড়ালে,স্বপ্ন দেখলে,কবিতা লিখলে,সাঁতার কাটলে,উড়তে শিখলেও কোনোদিন আসবেনা। এই দায়ভার কারা নেবে? পুজিঁবাদীদের দল? কনজারভেটিভ পার্টি? এই অসম্ভব দমবন্ধ করা অনুভূতির ভার,এই প্রজন্মের বিস্তর ভারে চাপা পড়তে পড়তে আমরা অন্ধ হয়ে যাব ঠিক। এই যে আপনি,আপনাকে বলছি…কিছুটা ভার ভাগ করে নিলে আমরা তো ঘুড়ি ওড়াতে ওড়াতে নিজেরাও গোধূলিতে পাখিদের সারিতে ডানা মেলার চেষ্টা করে দেখতাম। চেষ্টা করে দেখবেন একবার?